৯ ডিসেম্বরের আরো একটি দলিলে জর্ডানকে জঙ্গী বিমান সরবরাহের ব্যাপারে রাজী করানোর কূটনৈতিক তৎপরতার সাক্ষ্য রয়েছে। উল্লেখ আছে ইরানেরও।


মুক্তিবাহিনীর অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা চলছেই। জয় বাংলা শ্লোগানে বাংলার মাটি, আকাশ, জলপথ দখলে তাদের। ফুটেজে সামনে থাকা মুক্তিযোদ্ধাটিই নিউজউইকের সেই বিখ্যাত ছবি হয়ে গেছেন দ্য ব্লাডি বার্থ অব বাংলাদেশ নামের প্রচ্ছদে:
| YouTube Video | |
ভারতীয় বিমান হামলায় আকাশপথের দখল হারিয়েছে পাকিস্তান। আক্রমণের তীব্রতায় পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মালেকের পদত্যাগ ও হোটেল ইন্টারকনে (হোটেল শেরাটন) আশ্রয় নেয়ার রসালো বর্ণনা দিচ্ছেন বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি :
| YouTube Video | |
মার্ক টালির প্রশ্নের জবাবে পাকবাহিনীর অধিনায়ক নিয়াজী তখনও সদম্ভে উচ্চারণ করছেন পাকিস্তান হারবে না:
| YouTube Video | |
জাতিসংঘে চলছে অন্য এক যুদ্ধ। যুক্তরাষ্ঠ্র ও চীনকে ঠেকাচ্ছে রাশিয়া ভেটোর পর ভেটো দিয়ে। ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বলছেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে। উল্লেখ্য তখন জাতিসংঘে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতা ছিলেন জর্জ বুশ সিনিয়র:
| YouTube Video | |
১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের একটি মার্কিন দলিল। এত পাকিস্তানীদের হতোদ্যমের প্রমাণ রয়েছে। উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে ইয়াহিয়া-নিয়াজীকে পাশ কাটিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্পিভাককে পাকিস্তানীদের হয়ে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিচ্ছেন জেনারেল রাও ফরমান আলী (অপারেশন সার্চলাইট ও বুদ্ধিজীবি হত্যার নক্সাবিদ)। সেই সঙ্গে মার্কিন নৌবহর এন্টারপ্রাইজের অগ্রগামীতা স্থগিত রাখার প্রমাণও:

